আজঃ 18 June 2026 | সময়ঃ
সংবাদ শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসন করা হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। পাঁচলাইশে দুর্ধর্ষ চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার: গলিত স্বর্ণ, নগদ টাকাসহ বিপুল মালামাল উদ্ধার ভূরুঙ্গামারীতে কর্মী শিক্ষা শিবির আয়োজন নাসিক নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত খেলাফত মজলিসের চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অনন্য সাফল্য: উদ্ধার হওয়া ১০১টি মোবাইল প্রকৃত মালিকদের হস্তান্তর। শোক বার্তা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যদের অনাস্থা পরে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে উদ্যোক্তার ওপর হামলার অভিযোগ। পটুয়াখালীতে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে মুখ বেধে ধর্শনের অভিযোগ, বৃদ্ধ আটক। মাদক সেবনের দায়ে বকশীগঞ্জে এক ব্যক্তির ৩ মাসের কারাদণ্ড কাউনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ভারসাম্যহীন নারী আহত চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা: আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা। শুধু প্রশাসন নয়, মাদক নির্মূলে দরকার সামাজিক প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা। বীরগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর স্কুল ছাত্রোর মরহদহ উদ্ধার টাঙ্গাইল কারাগারের ১৮টি ওয়ার্ডেই খেলা দেখার বিশেষ ব্যবস্থা নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঙ্গা কক্সবাজার ফিশারিঘাট: ট্রলারভর্তি রুপালি ইলিশ, চড়া দামেই কিনছেন ক্রেতারা বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় মনির হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। বিএনপি'র উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ মিশন পাড়া মোড়ে, দোয়া ও তোবারক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ১৮১ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও মাদক সহ আটক মিজান

দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় নীলফামারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার

দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি 24 ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন: দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি ২৪

দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় নীলফামারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার 

নিজস্ব প্রতিনিধি, 
নীলফামারী,

 নীলফামারী সদর উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও গোড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো: আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি, অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ নিয়ে দিন দিন বাড়ছে জনমনে ক্ষোভ। তদন্তের আশ্বাস মিললেও কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে প্রশ্ন বাড়ছে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ লেনদেন, ভিজিএফ কার্ড নিয়ন্ত্রণ এবং প্রকল্প অনুমোদনের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে এলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র প্রশ্ন ও অসন্তোষ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউপি সদস্য ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ইউনিয়ন পরিষদের টি.আর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতি লাখ টাকায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ কর্মসূচির প্রায় ৪০০টি কার্ড নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার অভিযোগও উঠেছে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। গোড়গ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় ইউপি সদস্যদের কাছ থেকে কমিশন আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। প্রকল্প অনুমোদন ও বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনকে “অঘোষিত নিয়ম” হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন একাধিক জনপ্রতিনিধি।

সংরক্ষিত নারী সদস্য বিলকিস বেগম বলেন, আমাকে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার একটি প্রকল্প দেওয়া হয়। কাজ শেষ হলেও এখনো বিল পাইনি। প্রকল্প দেওয়ার সময় প্রশাসক স্যার অগ্রিম ৪০ হাজার টাকা নিয়েছেন। আরেক সংরক্ষিত নারী সদস্য চম্পা রানীও একই ধরনের অভিযোগ তুলে বলেন, ২ লাখ ৬৩ হাজার টাকার প্রকল্পের বিপরীতে আমার কাছ থেকেও ৪০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এটি নাকি প্রশাসকের প্রাপ্য বলে জানানো হয়। ইউপি সদস্য মশিউর রহমান অভিযোগ করেন, টি.আর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের জন্য প্রতি লাখে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানানো হয়। আমিসহ আরও কয়েকজন সদস্য টাকা দিয়েছি। এছাড়া ভিজিএফের ৪০০টি কার্ডও তিনি নিজের কাছে রেখেছেন। গত ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে গোড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসী প্রায় এক ঘণ্টা অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে কার্যালয়ের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ তদন্তের আশ্বাস দিলেও স্থানীয়দের অভিযোগ সেই আশ্বাস এখনো কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ এবং টেলিভিশনে প্রতিবেদন প্রচারের পরও এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি, প্রশাসনিক জিজ্ঞাসাবাদ বা বিভাগীয় ব্যবস্থা দৃশ্যমান হয়নি। বিষয়টি রহস্যজনক নীরবতার কারণে পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে কি না, তা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, গোড়গ্রাম  ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রকল্প বরাদ্দ ও সুবিধা বাণিজ্য নিয়েও মো: আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন  অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু হয়নি। তবে তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সদর উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও গোড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো: আলমগীর হোসেন। দুর্নীতির অভিযোগে যখন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাই প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন, তখন প্রশাসনের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে নীলফামারীতে।

আজ রোজ  রবিবার ৩/৫/২০২৬ ইং।

কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ৯ Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-44-b187979f
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ২ received-874219331633485
---------------------------------------------------------------------
৩ বিজ্ঞাপন Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-46-e841052a