আজঃ 02 August 2026 | সময়ঃ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে ডিবির অভিযানে বিদেশি পিস্তল-গুলি ও ৬০০ ইয়াবাসহ আটক ১ কোতোয়ালীতে সাঁড়াশি অভিযান: গাঁজাসহ ১৬ জন গ্রেপ্তার আড়াইহাজারে পুলিশ-বিএনপির যৌথ বাধায় জামায়াতের জুলাই-সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল পন্ড আলীকদমে বন্যার্ত ৪০০ পরিবারকে দ্বিতীয় দফায় ১০ টন চাল দিল পার্বত্য জেলা পরিষদ একতা ফুটবল ক্লাবের উদ্যোগে শহরে মাদকের বিরুদ্ধে রেলীও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত হয়। বাট্টাজোড়ে লিটন আকন্দ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ছাত্রদলের হামলা, আহত ৩ সংকটে থেমে গেল এস আলমের শিল্পচাকা, কর্ণফুলীতে ১১ কারখানায় তালা, জুলাইতেই চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর সবচেয়ে বড় বিস্তার, আক্রান্ত ৫৩৬; দুই নারীর মৃত্যু পটিয়া ​হাবিলাসদ্বীপে গাউসিয়া কমিটির ওরশ, অভিষেক ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় পত্নীতলায় মাদকবিরোধী অভিযান পতেঙ্গায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪৫০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ, ২৩ জন আটক খানপুর নগরবাসী, মাদক ব্যবসায়ীদের ধরিয়ে দিতেই সোচ্চার বাট্টাজোড়ে লিটন আকন্দ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত কবি বেগম সুফিয়া কামাল এর ১১৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা বাঁশখালীতে চিংড়ি প্রকল্পের দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: গুলিবিদ্ধসহ আহত একাধিক অভিযানে পুলিশ রুমার বগালেক ভিউ পয়েন্টে পাহাড়ি খাদে পড়ে দুই পর্যটকের মৃত্যু আড়াইহাজারে গাঁজাসহ দুই যুবক আটক, ‘পুলিশের সোর্স’ দাবি ঘিরে বিতর্ক প্রথম দিনের লিখিত পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের প্রকাশনা সম্পাদক নিয়ে বলছে মামলা, রতন এবং রফিক দুই জন দাবিদার

দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় নীলফামারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার

দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি 24 ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন: দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি ২৪

দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় নীলফামারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার 

নিজস্ব প্রতিনিধি, 
নীলফামারী,

 নীলফামারী সদর উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও গোড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো: আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি, অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ নিয়ে দিন দিন বাড়ছে জনমনে ক্ষোভ। তদন্তের আশ্বাস মিললেও কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে প্রশ্ন বাড়ছে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ লেনদেন, ভিজিএফ কার্ড নিয়ন্ত্রণ এবং প্রকল্প অনুমোদনের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে এলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র প্রশ্ন ও অসন্তোষ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউপি সদস্য ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ইউনিয়ন পরিষদের টি.আর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতি লাখ টাকায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ কর্মসূচির প্রায় ৪০০টি কার্ড নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার অভিযোগও উঠেছে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। গোড়গ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় ইউপি সদস্যদের কাছ থেকে কমিশন আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। প্রকল্প অনুমোদন ও বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনকে “অঘোষিত নিয়ম” হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন একাধিক জনপ্রতিনিধি।

সংরক্ষিত নারী সদস্য বিলকিস বেগম বলেন, আমাকে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার একটি প্রকল্প দেওয়া হয়। কাজ শেষ হলেও এখনো বিল পাইনি। প্রকল্প দেওয়ার সময় প্রশাসক স্যার অগ্রিম ৪০ হাজার টাকা নিয়েছেন। আরেক সংরক্ষিত নারী সদস্য চম্পা রানীও একই ধরনের অভিযোগ তুলে বলেন, ২ লাখ ৬৩ হাজার টাকার প্রকল্পের বিপরীতে আমার কাছ থেকেও ৪০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এটি নাকি প্রশাসকের প্রাপ্য বলে জানানো হয়। ইউপি সদস্য মশিউর রহমান অভিযোগ করেন, টি.আর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের জন্য প্রতি লাখে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানানো হয়। আমিসহ আরও কয়েকজন সদস্য টাকা দিয়েছি। এছাড়া ভিজিএফের ৪০০টি কার্ডও তিনি নিজের কাছে রেখেছেন। গত ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে গোড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসী প্রায় এক ঘণ্টা অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে কার্যালয়ের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ তদন্তের আশ্বাস দিলেও স্থানীয়দের অভিযোগ সেই আশ্বাস এখনো কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ এবং টেলিভিশনে প্রতিবেদন প্রচারের পরও এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি, প্রশাসনিক জিজ্ঞাসাবাদ বা বিভাগীয় ব্যবস্থা দৃশ্যমান হয়নি। বিষয়টি রহস্যজনক নীরবতার কারণে পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে কি না, তা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, গোড়গ্রাম  ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রকল্প বরাদ্দ ও সুবিধা বাণিজ্য নিয়েও মো: আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন  অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু হয়নি। তবে তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সদর উপজেলার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও গোড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো: আলমগীর হোসেন। দুর্নীতির অভিযোগে যখন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাই প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন, তখন প্রশাসনের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে নীলফামারীতে।

আজ রোজ  রবিবার ৩/৫/২০২৬ ইং।

কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ৯ Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-44-b187979f
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ২ received-874219331633485
---------------------------------------------------------------------
৩ বিজ্ঞাপন Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-46-e841052a