কফিলুর রহমান (বিভাগীয় প্রধান, রংপুর):
কুড়িগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও নিশ্ছিনতে নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সুসম্পন্ন হয়েছে।
মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের শুরুর পর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর আবাহন জানানো হয়। পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পূজামণ্ডপগুলোতে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ঢল নামে। চণ্ডীপাঠ, ঢাকের আওয়াজ, কাঁসর ঘণ্টা, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং ধূপের ধোঁয়ায় মুখরিত হয়ে ওঠে উপজেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপ।
পূজা চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব,পুলিশ, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক কর্মীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া উপজেলার প্রশাসন ও থানা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ নিয়মিত বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের অসাম্প্রদায়িক মনোভাবের কারণে উৎসবটি সম্পূর্ণ ভাবগাম্ভীর্য ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়েছে।
উৎসবের শেষ দিন বিজয়া দশমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু হয় দেবীবরণ ও সিঁদুর খেলা। ভক্তরা অশ্রুসজল চোখে এবং আগামী বছর দেবীর পুনরায় আগমনী বার্তা চেয়ে প্রতিমা বিসর্জন দেন। ধরলা,দুধকুমার,ফুলকুমার,বুড়ির ছড়া,কাশির ডারা,নুনখাওয়াসহ বিভিন্ন নদ নদীগুলোতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে এ বছরের শারদীয় দুর্গোৎসবের।
উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতিগণ পূজার সার্বিক নিরাপত্তার জন্য উপজেলা প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
এ জাতীয় আরো খবর...