লায়ন্স চক্ষু হাসপাতাল ক্ষতি পূরণের মোটা অংকের টাকা গ্রহণ সরকারি সম্পত্তি দখল করেছে
শিশির আহমেদ শিশু,
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,
স্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার কাশীপুর মধ্যপাড়া এলাকায় ঢাকা প্রোগ্রেসিভ লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের বিরুদ্ধে সরকারি রাস্তার সম্পত্তি অবৈধ ভাবে দখল করে নিজেদের খেয়াল খুশি মতো বাহিরে , তাদের গাড়ি পার্কিং এড়িয়া ও সিঁড়ি নির্মাণ করছে বলে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী । জানা গেছে কাশীপুর ঢাকা প্রোগ্রেসিভ লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের শুরুতেই সামনে বাড়তি কোন জায়গা না রেখে তৈরি করা হয়েছিল । পরে এই সড়কের পঞ্চবটি মুক্তারপুর ফ্লাইওভার নির্মাণের কারণে অনেকের মত সরকারী কর্তৃপক্ষ তাদের হাসপাতালে সামনের রাস্তাটি সহ প্রায় ৩০ ফুট জায়গা অধিগ্রহণ করে ফলে তাদের লাল ৩ তলা ভবনের সামনের অংশটি ভাঙ্গা পরে । এলাকাবাসী ও হাসপাতালের আশে পাশের বাড়ির বাসিন্দা ও দোকানদার গণ জানিয়েছেন ।
সরকারি অধিগ্রহণের ফলে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা চেকের মাধ্যমে গ্রহণ করে। তখন লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের ভবন ভেঙে পিছনে তাদের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় । বর্তমানে সরকারি কোষাগার হতে এই বিপুল পরিমাণ টাকা ক্ষতিপূরণ নেওয়ার পরেও সামনের রাস্তাটি গত কোরবানির ঈদের ছুটির বন্ধের পর থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও তাদের ম্যানেজার পরিচয় দেওয়া বিমল বিশ্বাস । চক্ষু হাসপাতালের সামনের সরকারি রাস্তা দখল করে নজির বিহীন ভাবে দুই পাশে উচু দেয়াল দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে । মাঝের ফাঁকা পুরো অংশ টি সিঁড়ি ও গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা বানাতে রড সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই দিয়ে স্থায়ী ভাবে পার্কিং নির্মাণ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
অবৈধ এ নির্মাণ কাজে সাধারণ মানুষ ও হাসপাতালের আশে পাশে বসবাসকারীদের যাতায়াতে ব্যঘাত সৃষ্টি করছে । এ নির্মাণে কাজে কারণে প্রতিবেশী ও আশে পাশের দোকানিদেরও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে । এলাকাবাসী জানিয়েছেন চক্ষু হাসপাতালের ভবনের সামনের যে অংশ পর্যন্ত ভাঙ্গা হয়েছে তার জন্য সরকার যথেষ্ট মোটা অংকের টাকা তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়েছে আর এ কারণে ফ্লাইওভার নির্মাণ ও নিচের রাস্তা প্রশস্ত করন ও ফুটপাত তৈরির জন্য নিচের খালি অংশ গুলো এখন সরকারি সম্পত্তি । কিন্তু তারপর ও লায়ন্স চক্ষু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের নীতি আদর্শ বিসর্জন দিয়ে স্থায়ী ভাবে দুই দিকের রাস্তায় উঁচু দেয়াল দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে । মাঝ খানের বিশাল খালি অংশ সরকারি জমি তারা নিজেদের সম্পত্তির মত স্থায়ী ভাবে দখলে নিয়ে, ঢালাই দিয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের সুবিধা আদায় করে নিচ্ছেন । আর এসব বিষয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের কথিত ঐ ম্যানেজার বিমল বিশ্বাস স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তিকে নিয়ে গোপন শলা পরামর্শ করে এই অবৈধ দখল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সাধারণ মানুষ । বিতর্কিত এই বিমল বিশ্বাস নানা ভাবে হাসপাতালটিকে বিতর্কিত করে চলেছে ।
সে প্রতিদিন এই হাসপাতালে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রবেশ করিয়ে তাদের কোম্পানির ঔষধ ডাক্তারদের মাধ্যমে লিখিয়ে কৌশলে রোগীদের কিনতে বাধ্য করছে । আর এ কাজের মাধ্যমে বিমল বিশ্বাস ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওষুধ কোম্পানির কাছ থেকে বিভিন্ন উপহার ও অবৈধ আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করছে । তবে এ বিষয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন তাদের সেবা মূলক প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এমন অন্যায় অবৈধ কাজের বিরুদ্ধে তারা আগামী সপ্তাহের নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন ।
আজ রোজ শুক্রবার ১২ জুন ২০২৬ ইং।
এ জাতীয় আরো খবর...