আজঃ 04 September 2026 | সময়ঃ
সংবাদ শিরোনাম :
বৃহত্তর নোয়াখালী বিভাগ ঘোষণার দাবিতে ঢাকায় উত্তাল রাজপথ নলডাঙ্গায় নদীতে ভেসে উঠা মাছ সংগ্রহে মানুষের ভীড় দিনাজপুর বীরগঞ্জে প্রায় ২২ লক্ষ টাকা আত্মসাতের মামলায় ইটভাটা ম্যানেজার কারাগারে ভূরুঙ্গামারীর সোনাহাটে কসাইয়ের জরিমানা আনোয়ারায় র‌্যাবের অভিযানে ৪৩ হাজার ৭৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২ ভূরুঙ্গামারীর সোনাহাটে কসাইয়ের জরিমানা ইতিহাস-ঐতিহ্যের নোয়াখালী: ভুলুয়া থেকে মাইজদী—নদী, সভ্যতা আর স্থাপত্যের এক জীবন্ত ইতিহাস রংপুরে সাংবাদিক হত্যার মূল আসামীকে খালাস দেওয়ায় ক্ষুব্ধ মা ইতিহাস-ঐতিহ্যের নোয়াখালী: ভুলুয়া থেকে মাইজদী—নদী, সভ্যতা আর স্থাপত্যের এক জীবন্ত ইতিহাস ধানুয়া কামালপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান শিউলি আক্তার শান্তি নবীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে বীরগঞ্জে উত্তেজনা, ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ ফুলবাড়ীতে সোস্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা খবর॥ নওগাঁয় পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান নলডাঙ্গায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাউফলে ১০০ পিস ইয়াবা সহ দুই যুবক গ্রেফতার। দিনাজপুর কাহারোলে কান্তজিউর নৌবিহারে নৌকাডুবি, ৯ ঘণ্টা পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার পারিবারিক কলহের জেরে আড়াইহাজারে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মিনি কক্সবাজার ভ্রমণ ভূরুঙ্গামারীতে সোনাহাট স্থলবন্দরে পরিদর্শনে ভূটানের প্রতিনিধি কুড়িগ্রামে জামায়াতের ৪ নেতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

ইতিহাস-ঐতিহ্যের নোয়াখালী: ভুলুয়া থেকে মাইজদী—নদী, সভ্যতা আর স্থাপত্যের এক জীবন্ত ইতিহাস

দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি 24 ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন: দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি ২৪

মোঃ আবদুল মোতালেব 
বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন :--

১৭৪১-এর বজরা শাহী মসজিদ থেকে ১৯৪৬-এর গান্ধী আশ্রম—প্রাচীন জনপদের স্মৃতি আজও ছড়িয়ে আছে নোয়াখালীর মাটি ও মানুষের মধ্যে।
মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় গড়ে ওঠা নোয়াখালী শুধু একটি প্রশাসনিক জেলা নয়; এটি নদী, জনপদ, রাজ্য, ধর্মীয় স্থাপত্য, মুক্তিযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং লোকঐতিহ্যের দীর্ঘ ইতিহাস বহনকারী একটি ভূখণ্ড। প্রাচীন ভুলুয়া থেকে বর্তমান নোয়াখালী—এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে নদীভাঙন, নতুন ভূমির সৃষ্টি, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং মানুষের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস।
আজকের নোয়াখালী শহরের নাম মাইজদী। সরকারি জেলা তথ্য অনুযায়ী, পুরোনো নোয়াখালী শহর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার পর ১৯৫০ সালে জেলা সদর মাইজদীতে স্থানান্তর করা হয়। ফলে জেলার নাম নোয়াখালী হলেও জেলা সদর শহরটি মাইজদী নামে পরিচিত। 

ভুলুয়া থেকে নোয়াখালী—নামের পেছনে যে ইতিহাস-নোয়াখালীর প্রাচীন নাম ছিল ভুলুয়া। নোয়াখালী সদর উপজেলার সরকারি ইতিহাসে বলা হয়েছে, ডাকাতিয়া নদীর বন্যার পানি নিষ্কাশনের জন্য তৎকালীন সময়ে একটি দীর্ঘ খাল খনন করা হয়। স্থানীয়ভাবে নতুন খালকে ‘নোয়া খাল’ বলা হতো এবং সেখান থেকেই ‘নোয়াখালী’ নামটির উৎপত্তি বলে সরকারি বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে। তবে নামটির উৎপত্তির সময়কাল নিয়ে সরকারি বিভিন্ন পৃষ্ঠায় ভিন্ন তথ্য দেখা যায়—কোথাও ১৬৬০, কোথাও ১৭৬০-এর দশকের শেষভাগের কথা বলা হয়েছে। তাই এ বিষয়ে নির্দিষ্ট সালকে চূড়ান্ত দাবি না করাই ইতিহাসভিত্তিক প্রতিবেদনের জন্য অধিক নিরাপদ। 

প্রশাসনিক ইতিহাসেও নোয়াখালীর পরিবর্তনের ছাপ স্পষ্ট। ১৮২১ সালে এ অঞ্চল পৃথক জেলার প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে আসে এবং ১৮৬৮ সালে ‘নোয়াখালী’ নামটি দাপ্তরিকভাবে ব্যবহারের তথ্য সরকারি উপজেলা সূত্রে পাওয়া যায়। 

নদীর ভাঙনে হারিয়ে গেল পুরোনো শহর
নোয়াখালীর ইতিহাসের সবচেয়ে নাটকীয় অধ্যায়গুলোর একটি হলো জেলা সদর হারিয়ে যাওয়া।
পুরোনো নোয়াখালী শহর ছিল নোয়াখালী খালের পশ্চিম তীরে অবস্থিত সুধারাম এলাকাকে কেন্দ্র করে। নদীভাঙনে সেই পুরোনো শহর বিলীন হয়ে গেলে প্রশাসনিক কেন্দ্র স্থানান্তরের প্রয়োজন দেখা দেয়। ১৯৫০ সালে জেলা সদর মাইজদীতে স্থানান্তরিত হয়। 

অর্থাৎ নোয়াখালীর বর্তমান শহর শুধু একটি প্রশাসনিক কেন্দ্র নয়—এটি নদীর সঙ্গে মানুষের লড়াই করে নতুন করে গড়ে ওঠা একটি শহর।
বজরা শাহী মসজিদ: ১৭৪১-এর স্থাপত্যসাক্ষী
নোয়াখালীর ঐতিহাসিক স্থাপনার তালিকায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নামগুলোর একটি বজরা শাহী মসজিদ।
বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা এলাকায় অবস্থিত এই মসজিদটি মোগল সম্রাট মুহাম্মদ শাহের শাসনামলে ১৭৪১ সালে নির্মিত হয়। মসজিদের সঙ্গে থাকা শিলালিপি থেকে জানা যায়, আমানউল্লাহ নামের এক ব্যক্তি এটি নির্মাণ করেন। 

মসজিদটি শুধু ধর্মীয় স্থাপনা নয়; এটি নোয়াখালীর মোগল আমলের স্থাপত্য ও সামাজিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের প্রত্নস্থলের তালিকাতেও বজরা শাহী মসজিদ সংরক্ষিত ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

স্থাপনা: বজরা শাহী মসজিদ
অবস্থান: বজরা, সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী
নির্মাণকাল: ১৭৪১ খ্রিস্টাব্দ
নির্মাতা: আমানউল্লাহ
স্থাপত্যধারা: মোগল স্থাপত্য
বিশেষত্ব: শিলালিপি দ্বারা নির্মাণকাল ও নির্মাতার তথ্যের সমর্থন রয়েছে। 

গান্ধী আশ্রম: দাঙ্গাবিধ্বস্ত নোয়াখালীতে শান্তির স্মৃতি নোয়াখালীর ইতিহাসে গান্ধী আশ্রম একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অধ্যায়ের নাম।
১৯৪৬ সালে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পর মহাত্মা গান্ধী নোয়াখালীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে আসেন। Banglapedia-র তথ্য অনুযায়ী, তিনি ১৯৪৬ সালের ৭ নভেম্বর নোয়াখালীতে পৌঁছে গ্রামে গ্রামে ঘুরে সম্প্রীতি, অহিংসা ও শান্তির বার্তা প্রচার করেন। 

জয়াগ এলাকায় অবস্থিত আশ্রমের ইতিহাসও এই শান্তি মিশনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪৬ সালের শান্তি মিশনকে কেন্দ্র করেই প্রতিষ্ঠানটির ঐতিহাসিক ভিত্তি গড়ে ওঠে; ১৯৪৭ সালের ২৯ জানুয়ারি গান্ধী জয়াগে পৌঁছান। 

পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৫ সালের ২ অক্টোবর গেজেটের মাধ্যমে অ্যাম্বিকা কালীগঙ্গা ট্রাস্টের নাম পরিবর্তন করে গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট করে—এ তথ্যও বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্রে পাওয়া যায়। স্থান: জয়াগ, নোয়াখালী ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও গান্ধীর শান্তি মিশন গান্ধীর নোয়াখালী আগমন: ৭ নভেম্বর ১৯৪৬ জয়াগে আগমন: ২৯ জানুয়ারি ১৯৪৭ গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের বর্তমান কাঠামো: ১৯৭৫ সালের গেজেটের পর প্রতিষ্ঠিত রূপ পায়। 

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি: বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন
নোয়াখালীর ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিও। জেলার সোনাইমুড়ী এলাকায় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিনের স্মৃতি জাদুঘর ও গ্রন্থাগার রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পর্যটন তথ্যেও বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরকে জেলার দর্শনীয় ঐতিহাসিক স্থাপনার তালিকায় রাখা হয়েছে। 
এটি কেবল একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতির স্থান নয়; নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরারও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

প্রত্নসম্পদের সরকারি তালিকায় নোয়াখালী
নোয়াখালীর ঐতিহ্য শুধু বজরা শাহী মসজিদে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের প্রকাশিত প্রত্নস্থলের তালিকায় নোয়াখালীর বজরা শাহী মসজিদ এবং রামজান মিয়া জামে মসজিদ, কবিরহাট-এর মতো স্থাপনার নাম রয়েছে। UNESCO-র বাংলাদেশের মোগল মসজিদবিষয়ক Tentative List-এও বজরা শাহী মসজিদকে ১৭৪১ সালের স্থাপনা এবং রামজান মিয়া জামে মসজিদকে ১৮শ শতকের স্থাপনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিকতার বিষয় হলো—কোনো স্থাপনার নির্মাতা বা সঠিক নির্মাণসাল সম্পর্কে সরকারি/প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ না থাকলে জনশ্রুতি বা অনলাইন পোস্টকে নিশ্চিত ইতিহাস হিসেবে প্রকাশ করা উচিত নয়।
ঐতিহ্য আছে, সংরক্ষণ কতটা?

নোয়াখালীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখানেই।
একদিকে ১৭৪১ সালের বজরা শাহী মসজিদ, অন্যদিকে ১৯৪৬-৪৭ সালের গান্ধী আশ্রম, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, পুরোনো জেলা সদরের ইতিহাস এবং নদীভাঙনে হারিয়ে যাওয়া জনপদের স্মৃতি—সব মিলিয়ে নোয়াখালীর ঐতিহ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ।

অন্যদিকে নদীভাঙন, নগরায়ণ, অপরিকল্পিত স্থাপনা, সংরক্ষণের সীমাবদ্ধতা ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে ঘিরে পর্যাপ্ত গবেষণার অভাব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
ঐতিহ্য থেকে অর্থনীতি: সম্ভাবনা কোথায়?

নোয়াখালীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে শুধু দর্শনীয় স্থান হিসেবে দেখলে সম্ভাবনার বড় অংশই অপ্রকাশিত থেকে যাবে।
বজরা শাহী মসজিদ, গান্ধী আশ্রম, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের স্মৃতিবিজড়িত স্থান, নিঝুম দ্বীপ ও অন্যান্য ঐতিহাসিক-প্রাকৃতিক স্থানকে একটি সমন্বিত হেরিটেজ ও ইকো-ট্যুরিজম সার্কিটে যুক্ত করা গেলে পর্যটনের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান ও ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এর জন্য দরকার—
প্রতিটি ঐতিহাসিক স্থাপনার নির্ভরযোগ্য ইতিহাস সংরক্ষণ;
প্রত্নস্থানের সঠিক তথ্যফলক স্থাপন;
গবেষণা ও ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরি;
পর্যটনবান্ধব যোগাযোগব্যবস্থা;
প্রশিক্ষিত স্থানীয় গাইড;
পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা;
ঐতিহ্যবাহী খাবার, হস্তশিল্প ও স্থানীয় পণ্যের বাজার তৈরি।
অনুসন্ধানের ফলাফল: যে তথ্যগুলো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ
ঐতিহাসিক বিষয় যাচাই করা তথ্য প্রাচীন নাম
ভুলুয়া, বর্তমান জেলা সদর মাইজদী
পুরোনো সদর সুধারাম/পুরোনো নোয়াখালী শহর
সদর স্থানান্তর ১৯৫০ সালে মাইজদীতে
বজরা শাহী মসজিদ ১৭৪১ বজরা শাহী মসজিদের নির্মাতা আমানউল্লাহ মোগল সম্রাট
মুহাম্মদ শাহের শাসনকাল গান্ধীর নোয়াখালী আগমন৭ নভেম্বর ১৯৪৬ জয়াগে গান্ধীর আগমন
২৯ জানুয়ারি ১৯৪৭ গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের বর্তমান রূপ ১৯৭৫ সালের গেজেটের পর রামজান মিয়া জামে মসজিদ ১৮শ শতকের স্থাপনা হিসেবে UNESCO তালিকায় উল্লেখিত

উপসংহার
নোয়াখালীর ইতিহাস মূলত নদী ও মানুষের লড়াই, ভুলুয়া থেকে নোয়াখালীর প্রশাসনিক বিবর্তন, মোগল স্থাপত্য, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ইতিহাস এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সমন্বিত ইতিহাস।
১৭৪১ সালে আমানউল্লাহর নির্মিত বজরা শাহী মসজিদ আজও কয়েক শতাব্দীর সাক্ষী। ১৯৪৬-৪৭ সালে গান্ধীর শান্তি মিশন নোয়াখালীর ইতিহাসকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে নিয়ে যায়। আর নদীগর্ভে পুরোনো শহরের বিলীন হওয়া প্রমাণ করে—এই জনপদের ইতিহাস স্থির নয়; নদীর গতিপথের সঙ্গে সঙ্গে এখানকার ভূগোল ও মানুষের জীবনও বারবার বদলেছে।

তাই নোয়াখালীর ঐতিহ্য রক্ষার অর্থ শুধু পুরোনো মসজিদ বা আশ্রম সংরক্ষণ নয়; বরং একটি জনপদের বহু শতাব্দীর স্মৃতি, সংস্কৃতি ও পরিচয়কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
(বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি বিভিন্ন তথ্য থেকে অনুসন্ধান করে নেওয়া হয়েছে)

কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ৯ Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-44-b187979f
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ২ received-874219331633485
---------------------------------------------------------------------
৩ বিজ্ঞাপন Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-46-e841052a