কফিলুর রহমান (বিভাগীয় প্রধান, রংপুর):
যেখানে সরকারি চাকরি বাংলাদেশ যুবকদের একটি অনুভূতি।সেখানে যদি হয় গড়-মিল, তখন যুব সমাজ হয় উৎকন্ঠ।যেখানে লক্ষ্য যুবকে প্রত্যাশা ছিল অপরিসীম, সেখানে অপ্রত্যাশিত জীবন হয়ে উঠে চরম উৎকন্ঠা ও বিপর্যয়।২০২৪ এর আগস্ট এর পট পরিবর্তন হলেও এর মূল উদ্দেশ্যের পরিবর্তন আজও হয়নি। ২৪ এর আন্দোলন ছিল চাকরির কোটা পরিবর্তন এবং প্রশ্নপত্র ফার্স রোধ করন। কিন্তু বর্তমান সময়ের তার চিত্র ভিন্ন রূপ।তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পরীক্ষা।
আজ ১০ই অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে বাংলাদেশে এক যুগে 95 টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। এই পদে প্রায় ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ২৭৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করার কথা।তারই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের দূর-দূরান্ত হতে প্রায় লক্ষ লক্ষ চাকরি প্রত্যাশি পরীক্ষার্থীরস ঢাকা এসেছে পরীক্ষা অংশগ্রহণের জন্য। উক্ত পরীক্ষা সকাল ১১:০০ ঘটিকা সময় হওয়ার কথা ছিল।কিন্তু তার বাস্তব চিত্র দেখা গেল ভিন্ন।
পরীক্ষা শুরু হওয়ার দিন সকাল ৮:০০ ঘটিকার সময় উক্ত পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যায়।যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের স্ব-চিত্রে দেখা যায় যে, ১০:৩০ ঘটিকার সময় শ্রেণীকক্ষের শিক্ষক এবং শিক্ষিকা পৌঁছালে, সবাই কে পরীক্ষার ও এম আর ফর্ম দেয় এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তা পূরণ করে। তারপর সকাল ১০ঃ৫৫ মিনিটের সময় পরীক্ষা না নিয়ে সবাইকে চলে যেতে বলেন। ছাত্র-ছাত্রীরা বিষয়টি শিক্ষকের জানতে চাইলে শিক্ষক বলেন যে, আজকের পরীক্ষার প্রশ্ন সকাল ৮ঃ০০ ঘটিকার সময় ফাঁস হয়ে গিয়েছে।
তাই উধ্বঃতন কর্মকর্তাগন পরীক্ষা বাতিল করেছেন।
চাকরির প্রত্যাশীরা বলেন যে, এই পদের চাকরির প্রশ্ন নাকি কিছু সরকারি উচ্চমহলের কু-চক্রী মহল বিভিন্ন লোকদের কাছে ২০-২৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেন। এরকম হলে বাংলাদেশ প্রায় জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়বে। জাতি হয়ে পরবে ঞ্জান ও মেরুদণ্ডহীন।
তাই পরীক্ষার্থীরা বলেন যে, যারা এরকম প্রশ্ন পত্র ফাঁসির সাথে জড়িত তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক । এবং অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, তারা বলেন যে বাংলাদেশ সরকার কে এই কুচক্রী মহলদের উৎক্ষাত করতে হবে। এবং যারা যারা এই প্রশ্ন ফাসেঁ জরিত তাদের গ্রেফতার করে কঠিন হতে কঠিন সাজা দিতে হবে।
এ জাতীয় আরো খবর...