আজঃ 10 September 2026 | সময়ঃ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে বেস্ট সমবায় এর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি জনকল্যাণে ৫৭ বিজিবি, আলীকদমে সহায়তা আলীকদমে কৃষকদের মাঝে সবজি বীজ, অসহায় পরিবারে সেলাই মেশিন দিল বিজিবি বড়পুকুরিয়া বাইপাস সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার ডিবির অভিযান টের পেয়ে পালালেন ছাত্রদল নেতা, শয়নকক্ষে ৭০ বোতল বিদেশি মদ চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক বিরোধে ব্যবসায়ী অপহরণ, মহামায়া লেক থেকে উদ্ধার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় নওগাঁয় হানিট্র্যাপ চক্রের নারী সদস্যসহ ৪ জন গ্রেপ্তার একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে কাতর নাইক্ষ্যংছড়ির শামসুল-আয়েশা দম্পতি মামলা জটে চট্টগ্রাম কাস্টমস, আটকে হাজার কোটি টাকার রাজস্ব পটুয়াখালী ডিবি পুলিশের অভিযানে ১০০(একশত) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই জন মাদক কারবারি আটক। নওগাঁ শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক পরিস্থিতি এআই প্রযুক্তিতে পর্যবেক্ষণ চট্টগ্রামের হালিশহরে যুবক খুন, ঘটনাস্থলে পুলিশ চট্টগ্রাম বন্দরে ৪ শিপ হ্যান্ডলিং প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স সাময়িক বাতিল আলীকদমে ২১ লাখ টাকার সেগুন কাঠ ও মাহিন্দ্রা জব্দ বকশীগঞ্জে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার উধাও, গ্রেপ্তার দুই বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এসএসসি পাস শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঈশ্বরগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড লংগদুতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ। নওগাঁয় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক বিরোধে ব্যবসায়ী অপহরণ, মহামায়া লেক থেকে উদ্ধার

দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি 24 ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন: দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি ২৪

গ্রেপ্তার ৮, মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল ৫০ লাখ টাক

পারভেজ বাঙালী 
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

ব্যবসায়িক লেনদেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীতে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণের অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপহরণের পর ওই ব্যবসায়ীকে জেলার জোরারগঞ্জের মহামায়া লেক এলাকায় বন বিভাগের একটি পরিত্যক্ত কটেজে আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। সেখান থেকেই তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যবসায়ীর নাম মো. হেলাল উদ্দিন (৩৬)। তিনি পাঁচলাইশ থানার শুলকবহর রওশন বোডিংয়ের পাশে একটি গাড়ির গ্যারেজ পরিচালনা করেন।

পুলিশ জানায়, হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে কাজ করতেন মো. আবুল হাশেম (৫২)। ব্যবসায় হাশেম মোট ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁকে ৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও আরও ৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এই টাকা নিয়ে দুজনের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

এরই জেরে গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আবুল হাশেমসহ কয়েকজন শুলকবহর রওশন বোডিংয়ের সামনে একটি সাদা মাইক্রোবাস নিয়ে যান। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে হেলাল উদ্দিনকে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর সকালে হেলালের মোবাইল ফোন থেকে তাঁর স্ত্রী জেসমিন আক্তারের ফোনে কল আসে। ফোনে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা হেলালকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে তাঁকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। পরে তাঁকে জীবিত ফেরত দেওয়ার নিশ্চয়তার জন্য এক লাখ টাকা পাঠানোর দাবি জানানো হয়।

ঘটনার পর হেলালের স্ত্রী জেসমিন আক্তার পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৬৫, ৩৮৫, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

মামলার তদন্তে নেমে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) নগরীর আকবরশাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকা থেকে প্রথমে মো. শান্ত মিয়া (৩২) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পাঁচলাইশ থানা-পুলিশ। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আবুল হাশেমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে আবুল হাশেমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আকবরশাহ থানার লতিফপুর এলাকা থেকে মো. আকরাম (৩৪) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে হেলাল উদ্দিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শান্ত মিয়া ও আকরামকে জিজ্ঞাসাবাদে হেলালকে জোরারগঞ্জের মহামায়া লেক এলাকায় আটকে রাখার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর মিরসরাই ও জোরারগঞ্জ থানা-পুলিশের সহায়তায় মহামায়া লেকের ভেতরে বন বিভাগের একটি পরিত্যক্ত কটেজে অভিযান চালানো হয়।

সেখান থেকে হেলাল উদ্দিনকে উদ্ধার এবং মো. মঈন উদ্দিন রায়হান (২৯), আমজাদ হোসেন (৩৫), মাহবুব রহমান (২৬), মানিক হোসেন (৩০) ও মো. ফারুক (৩৪) নামে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণের কারণ ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আবুল হাশেম ও আকরাম সম্পর্কে শ্বশুর-জামাতার সম্পর্ক রয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, হেলালের কাছ থেকে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য শান্ত মিয়াকে এক লাখ টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন আবুল হাশেম ও আকরাম। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে অন্যদের নিয়ে হেলালকে অপহরণ করা হয়।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযানগুলো পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার আটজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ৯ Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-44-b187979f
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ২ received-874219331633485
---------------------------------------------------------------------
৩ বিজ্ঞাপন Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-46-e841052a