মোহাম্মদ কফিলুর রহমান (বিভাগীয় প্রধান, রংপুর):
নিজেদের কণ্ঠ, নিজেদের প্ল্যাটফর্মন স্লোগানকে সামনে রেখে তৈরি এই অ্যাপটি বাংলাদেশিদের নিজস্ব গল্প, সংবাদ, মতামত ও সৃজনশীলতা প্রকাশের একটি ডিজিটাল মাধ্যম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
উদ্যোক্তাদের মতে, ফ্রিডার শুধু একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নয় বরং বাংলাদেশিদের জন্য নিজেদের গল্প, সংবাদ, মতামত ও সৃজনশীলতা তুলে ধরার একটি নিজস্ব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম।
তরুণ প্রজন্ম ও কনটেন্ট নির্মাতাদের আকৃষ্ট করতে ফ্রিডারে রাখা হয়েছে আয়ের বিশেষ সুযোগ। উদ্যোক্তাদের দাবি, মাত্র এক হাজার ফলোয়ার থেকেই মনিটাইজেশনের সুবিধা পাবেন কনটেন্ট নির্মাতারা। ফলে জনপ্রিয় হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা না করেও অল্পসংখ্যক অনুসারী নিয়ে আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
রংপুরের মাটি থেকে যাত্রা শুরু করা ফ্রিডার এখন দেশীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে কতটা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারে, সেটিই দেখার বিষয়।
এ জাতীয় আরো খবর...