আজঃ 01 November 2026 | সময়ঃ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় যুব দিবস–২০২৬ উদ্‌যাপন। নারায়ণগঞ্জ থেকে বড় সাজ্জাদের সহযোগী সানি গ্রেপ্তার, চাঁদাবাজির দায়িত্ব পালনের অভিযোগ মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির আন্তজেলা চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার ম্যাজিস্ট্রেট,তারিফ আল তাওহীদ এর নেতৃত্বে খানপুর মুরগির দোকানে অভিযান। ভূরুঙ্গামারীতে এইচএসসি ও আলিম পরিক্ষার ফল প্রকাশ পীরগাছায় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ একই পরিবারের চারজনকে মারধর শাল্লা উপজেলার চাকুয়া গ্রামের সংগীত শিল্পী রাখাল চক্রবর্তী আর নেই সৌদি থেকে শনিবার দেশে আসছে নওগাঁর ৫ প্রবাসীসহ ৭ জনের মরদেহ জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে নারায়ণগঞ্জের খেলোয়াড়দের সাফল্য। দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ আনন্দঘন পরিবেশে সম্পূর্ণ হয়ায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। প্রকৃতির এক নিবেদিত গাছ প্রেমিক শাহজাহান বিশ্বাস! জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস–২০২৬ উদ্‌যাপন, রাজপথ থেকে Wrexham University-এর মঞ্চে বকশীগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত শোক সংবাদ বান্দরবানের আলীকদমে গাছের ডালে মিলল যুবকের মরদেহ পঞ্চগড়ের বোদায় উপসহকারী প্রকৌশলী আটক আত্রাই নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব নওগাঁর ধামইরহাটে বৃদ্ধা হত্যা ছোট ভাই-ভাবিসহ ৫ জন গ্রেপ্তার অটো ছিনতাইকারী গারো বাজারে।

পীরগাছায় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ একই পরিবারের চারজনকে মারধর

দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি 24 ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন: দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি ২৪

​কফিলুর রহমান(বিভাগীয় প্রধান,রংপুর): রংপুরের পীরগাছায় পূর্ববিরোধের জেরে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীসহ একই পরিবারের চারজনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত এজাহার দেওয়া হলেও তিন দিনেও মামলা রেকর্ড করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। পুলিশের এহেন গড়িমসিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা।
​গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের নবু হাড়িয়া ঘাট এলাকায় এ মারধরের ঘটনা ঘটে।
​ঘটনার বিবরণ দিয়ে ভুক্তভোগী রেহেনা বেগম (৪৮) পীরগাছা থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহারে মারধরের পাশাপাশি নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে।
​অভিযুক্তরা হলেন:
একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে জয়নাল মিয়া (৩০), তাঁর স্ত্রী জয়নব জয়গন (৫২), মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে রনজু মিয়া (৪২), রনজুর ছেলে সাকিব ওরফে সাক্কু (২০), রমজান আলীর ছেলে ফাহিম মিয়া (২১), রমজান আলীর মেয়ে রুজিনা ওরফে রুজি (২৫) এবং রনজু মিয়ার স্ত্রী আফরোজা বেগম (৩২)।
​ঘটনার সূত্রপাত:
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে রেহেনা বেগমের বড় মেয়ে নিপা আক্তার রিতুর সঙ্গে অভিযুক্ত জয়নাল মিয়ার বিয়ে হয়। বর্তমানে তাঁদের পাঁচ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে এবং নিপা আক্তার রিতু আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এই দাম্পত্য সম্পর্কের সূত্র ধরেই দীর্ঘদিন ধরে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
​যেভাবে হামলা চালানো হয়:
ঘটনার দিন অভিযুক্তরা দলবদ্ধ হয়ে ধারালো ছোরা, লাঠি ও লোহার রড নিয়ে রেহেনা বেগমের পথরোধ করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এর প্রতিবাদ করলে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। এ সময় তাঁকে বাঁচাতে তাঁর ভাগ্নি মোরশেদা বেগম এগিয়ে এলে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে লোহার রডের আঘাতে মোরশেদার নাকের বাঁ পাশে রক্তাক্ত জখম হয়।
​পরবর্তীতে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা নিপা আক্তার রিতু এগিয়ে এলে তাঁকেও বাঁশের লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে গলা চেপে ধরে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা চালান অভিযুক্তরা। মেয়েকে রক্ষা করতে মা রেহেনা বেগম এগিয়ে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে রেহেনার বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক ঠেকাতে এলে তাঁকেও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়।
​ছিনতাইয়ের অভিযোগ ও চিকিৎসা:
ভুক্তভোগী রেহেনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, “হামলাকারীরা আমাকে, আমার ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে, ভাগ্নি ও বড় ভাইকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম করেছে। ওই সময় আমার কোমরে গোঁজা জমি বন্ধকি নেওয়ার ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং আমার ভাগ্নীর কানের দুটি স্বর্ণের দুল (যার আনুমানিক মূল্য ৫০ হাজার টাকা) ছিনিয়ে নেয় তারা।”
​তিনি আরও বলেন, “স্থানীয়দের সহায়তায় আহত মেয়ে নিপা আক্তার রিতু ও ভাগ্নি মোরশেদাকে পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। আমি ও আমার বড় ভাই স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিই।”
​পুলিশের গড়িমসি ও নিরাপত্তাহীনতা:
ন্যায়বিচার চেয়ে রেহেনা বেগম বলেন, “ঘটনার পরপরই থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছি। কিন্তু তিন দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ মামলা গ্রহণ করছে না। মামলা নিতে এই গড়িমসির কারণে আমি ও আমার পরিবার চরম হতাশ ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
​অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের ফোন বন্ধ থাকায় কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
​এ বিষয়ে জানতে চাইলে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ৯ Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-44-b187979f
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ২ received-874219331633485
---------------------------------------------------------------------
৩ বিজ্ঞাপন Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-46-e841052a