নলডাঙ্গা ( নাটোর)সংবাদদাতা :ইউসুফ হোসেন নলডাঙ্গা(নাটোর) প্রতিনিধি।
ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত বিবরণ
নাটোরের নলডাঙ্গায় সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ২৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার দুই ব্যক্তি—মোঃ মহিদুল ইসলাম এবং মোঃ আরিফুল ইসলাম ভুটুর বিরুদ্ধে। বুধবার বিকেলে নলডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মোঃ আবুল কালাম আজাদ এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে আজাদ জানান, প্রতিবেশী ও আত্মীয় মোঃ আরিফুল ইসলাম ভুটু (৫০) উপজেলা ভূমি অফিসে অফিস সহায়ক পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার ও তার ভাই কাওছারের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ২৩ লাখ টাকা নেন।
টাকা নেওয়ার সময়গুলো হলো ২৫ এপ্রিল ২০২৪: ২ লাখ টাকা
২ মে ২০২৪: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা
৯ মে ২০২৪: তাদের বাড়িতে ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা
পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দফায় আরও ৯ লাখ টাকা নেওয়ার
অভিযোগ করেন, চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও গত ৬ জুন ২০২৪ তারিখে ভুটু তাকে একটি সন্দেহজনক নিয়োগপত্র দেন। পরে বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। টাকা ফেরত চাইলে গড়িমসি করেন এবং রূপালী ব্যাংকের কয়েকটি চেক দিলেও সেগুলো থেকে কোনো টাকা পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ ১৫ মে ২০২৫ নলডাঙ্গা বাজারে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
আজাদের দাবি, এ ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে প্রতিবেশী মোঃ রবিউল ইসলাম, মোছাঃ কছেদা বানুসহ স্থানীয় আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
নিজের অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন,
“চাকরি দেওয়ার নামে আমার পরিবার থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা নেওয়ার পর তারা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। আমরা এখন আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন দ্রুত তদন্ত করে প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়—এটাই আমাদের দাবি।”
তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা এবং প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এ ধরনের প্রতারণার শিকার না হয়।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত মোঃ মহিদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে ফোন কেটে দেন।
এ জাতীয় আরো খবর...