বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন ২০২৬-এ বাংলাদেশ: বৈশ্বিক মঞ্চে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ ও সুশাসন নিয়ে মতবিনিময়
স্টাফ রিপোর্টার : এস কে শিপন
গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের সাংহাইয়ে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন (WAIC 2026) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশ্বিক সুশাসন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। বিশ্বপ্রযুক্তির অন্যতম বৃহৎ এই বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন (এখানে আপনার নাম/পদবি দিতে পারেন)। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও উদ্ভাবকদের এই ঐতিহাসিক মহাসমাবেশে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের। সম্মেলনজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সর্বশেষ অগ্রগতি, বৈশ্বিক সহযোগিতা, দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির সামগ্রিক দিকনির্দেশনা নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ মতবিনিময়ের এক অনন্য ও অনুপ্রেরণাদায়ক সুযোগ তৈরি হয়েছে এই আয়োজনে।
গত ১৭ জুলাই আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই মেগা সম্মেলনের পর্দা উন্মোচিত হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বৈশ্বিক সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের এক বিশাল মিলনমেলা লক্ষ্য করা গেছে। অনুষ্ঠানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন কাজাখস্তানের রাষ্ট্রপতি, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের মহাসচিব। বিশ্বমঞ্চের এই শীর্ষ নীতিনির্ধারকেরা মানবকল্যাণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক নীতিমালা ও সুশাসনের ওপর বিশেষ জোর দেন।
এবারের সম্মেলনে মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল প্রযুক্তির অপার সম্ভাবনা এবং এর নৈতিক ব্যবহার। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু প্রযুক্তির একক কোনো উন্নয়ন নয়; বরং এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, কৃষি এবং জনসেবাসহ প্রতিটি খাতে এক অভূতপূর্ব ও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে চলেছে। এই বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি উদ্ভাবক, গবেষক ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ, উদ্ভাবন এবং এর বৈশ্বিক সুশাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এই আন্তর্জাতিক মতবিনিময় ও জ্ঞান বিনিময় বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক উদ্ভাবনের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে বাংলাদেশের প্রতিনিধি জানান, এই বিশ্ব সম্মেলন থেকে অর্জিত বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান আগামী দিনে বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রায় অত্যন্ত ইতিবাচক ও কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এবং দেশীয় প্রযুক্তির আধুনিকায়নে এই ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের জন্য এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাংহাইয়ের বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশ
এ জাতীয় আরো খবর...