পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ধানের বীজতলায় আগাছা নাশক স্প্রে, দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
ঠাকুরগাঁও, ভূল্লী প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওজেলা ভূল্লী উপজেলার অন্তর্গত ১ নং বড়গাঁও ইউনিয়নের জাহানপাড়া গ্রামে এক কৃষকের ধানের বীজতলায় দুর্বৃত্তদের আগাছানাশক স্প্রে করার অঅভিযোগ উঠেছে।
বীজতলা সুমন স্বর্ণ ও গুটি জাতের ধানের চারা ছিল বলে জানা যায়।
ভুক্তভোগী কৃষকের অভিযোগ তার প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি ভূল্লী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বড়গাও ইউনিয়নের জাহানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. জমির উদ্দিন (৭০) দীর্ঘদিন যাবত কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। তিনি জাহানপাড়া মৌজার ৪৪৯ নং দাগে বিশ শতক জমির মধ্যে ১২ শতক জমিতে ধানের বীজতলা তৈরি করেন,
অভিযোগকারী আরো বলেন তিনি গত ১ জুলাই আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টায় বীজতলা দেখে নিজ বাড়িতে ফিরে যান। পরদিন ২ জুলাই সকালে জমিতে গিয়ে দেখেন ধানের চারাগুলো অস্বাভাবিকভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে এবং মরে যাচ্ছে।
অভিযোগকারী ধারণা করেন, ১ জুলাই রাতে কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা জমিতে প্রবেশ করে আগাছানাশক বিশ স্প্রে করে বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি করেছে।
ভুক্তভোগী কৃষক বলেন,"আমি একজন সাধারণ কৃষক। কষ্ট করে ১০ একর জমিতে আবাদ করার জন্য এই বীজতলা তৈরি করেছিলাম। বীজতলার চাড়া নষ্ট হয়ে গেছে। এখন ১০ একর জমিতে কীভাবে ধান চাষ করবো ? নতুন করে বীজতলা তৈরি করতে অনেক সময় লেগে যাবে এতে আমার আর্থিক ক্ষতি আরও বাড়বে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।"
তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর আত্মীয়-স্বজনদের অবহিত করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে সাক্ষী হিসেবে তার ভাতিজা সুরুত আলী, ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক ও মো. হানিফ এবং চাচাতো ভাই নূরনবীর নাম উল্লেখ করেছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সতীশ চন্দ্র বর্মন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে উক্ত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, "আমি এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত চলছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন সহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এ জাতীয় আরো খবর...