আজঃ 18 April 2026 | সময়ঃ
সংবাদ শিরোনাম :
পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৪ উদ্ধার ট্যাপেন্টাডল ও মোটরসাইকেল নলডাঙ্গায় হুইপ দুলুর ঘোষণা নকল করে পরিক্ষা দেওয়া দিন শেষ ১৮ এপ্রিলকে জাতীয় যুব দিবস ঘোষণা দাবী ছাত্র যুব ফ্রন্ট এর পত্নীতলায় ডিবি ও থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ ২ জন গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে ছাত্র মজলিসের দোয়া মাহফিল ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। বধির প্রতিবন্ধী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে, দোয়া ও মাহফিল। পত্নীতলায় ৯৮ বোতল স্কাফ সিরাপসহ দুই নারী মা/দক কারবারি বিজিবির অভিযানে আটক নলডাঙ্গায় ইউএনওর ভেজাল বিরোধী অভিযান হাছিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়, দোয়া ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে সাড়ে ১২শ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পাই ২০২৬ , সম্পর্কিত জেলা অবহিত করন সভা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি সফরে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ,জনাব শফর উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নারায়ণগঞ্জ। আনোয়ারায় সড়কের করুন দশা, অবহেলিত তেকোটা খাসখামা সড়ক! ফিলিং স্টেশনে পুলিশের ওপর হামলা, আটক ১ বাঁশিলায় ব্যতিক্রমী বৈশাখী মেলা নওগাঁর মহাদেবপুরে সংবাদকর্মীদের সাথে নবাগত ইউনও'র মতবিনিময় সভা। মিরসরাইয়ে ব্যবসায়ীদের কুপিয়ে ৫ লাখ টাকা ছিনতাই আনোয়ারায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: পরিবারের দাবি হত্যা, স্বামী আটক” নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন বাংলাদেশ বধির মহিলা কল্যাণ সংস্থার, উদ্যোগে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

১৮ এপ্রিলকে জাতীয় যুব দিবস ঘোষণা দাবী ছাত্র যুব ফ্রন্ট এর

দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি 24 ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন: দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি ২৪

১৮ এপ্রিলকে জাতীয় যুব দিবস ঘোষণা দাবী ছাত্র যুব ফ্রন্ট এর

মোঃ কুতুব উদ্দিন 
ঢাকা 

 
টিএসসিতে ‘চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ দিবস’-এর ৯৬তম বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
১৮ এপ্রিলকে ‘জাতীয় যুব দিবস’ ঘোষণার দাবি 

‘চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ দিবস’-এর ৯৬তম বার্ষিকী স্মরণে আজ বিকেল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ও বাংলাদেশ যুব ফ্রন্টের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা থেকে ১৮ এপ্রিলকে ‘জাতীয় যুব দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানানো হয়। 

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রগতি বর্মন তমার সঞ্চালনায় এবং বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট, কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট, ঢাকা নগর কমিটির আহ্বায়ক রবিউল করিম নান্টু, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ এবং বাসদ (মার্কসবাদী)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সদস্য ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য। 

সভায় রাফিকুজ্জামান ফরিদ বলেন, “চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের ১৮ই এপ্রিলের ঘটনাপ্রবাহ আমাদের সংগ্রামী ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। সূর্য সেনের নেতৃত্বে ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মি গঠন, তার দীর্ঘ প্রস্তুতি, এবং স্কুলপড়ুয়া কিশোরদের অকুতভয় অংশগ্রহণ; সব মিলিয়ে এটি ছিল এক অসাধারণ সাহসিকতার দৃষ্টান্ত। দুই দফা যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীকে পরাস্ত করার পর গেরিলা কায়দায় লড়াই চালিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে প্রায় তিন বছর চট্টগ্রাম অঞ্চলে আত্মগোপনে থেকেও ব্রিটিশদের নাগালের বাইরে থাকা— এই পুরো সংগ্রামই আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।” 

জয়দীপ ভট্টাচার্য বলেন, “ইতিহাসে আমরা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের দুটি ধারা দেখি—একটি আপসহীন বা সশস্ত্র বিপ্লবী ধারা, অন্যটি আপসকামী বা অহিংস ধারা। কিন্তু আমাদের ইতিহাসের পাঠ্যে আপসহীন সশস্ত্র ধারাকেই অনেক সময় ‘সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, আর আপসকামী ধারাকে ‘অহিংস আন্দোলন’ হিসেবে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এটি একটি একপাক্ষিক ও বিকৃত উপস্থাপন। বাস্তবতা হলো, ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামে প্রকাশ্য ও সশস্ত্র লড়াই ছিল একটি অবিচ্ছেদ্য উপাদান, যা স্বাধীনতা সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছে। 

সুন্দরবনে দাঁড়িয়ে অহিংসতার কথা বললে লাভ তো বাঘেরই হয়। ঔপনিবেশিক শাসনের মতো নির্মম শক্তির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে শুধু নৈতিক আবেদন দিয়ে মুক্তি অর্জন সম্ভব ছিল না। ইতিহাস প্রমাণ করে, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র বিপ্লবী ধারাই শাসকের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। শোষণ ও দমননীতির বিরুদ্ধে সংগ্রামে সশস্ত্র প্রতিরোধ ছিল অপরিহার্য এবং সেই লড়াইয়ের সাহস ও আত্মত্যাগকেই আমাদের যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে।” 

সভাপতির বক্তব্যে রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, “আমরা যখন ১৮ এপ্রিল ‘চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ দিবস’ পালন করছি, তখন আমাদের উদ্দেশ্য শুধু শহীদদের স্মরণ করা বা ফুল দেওয়া নয়; বরং সেই সংগ্রামের চেতনাকে আজকের বাস্তবতায় ধারণ করা। এই বিদ্রোহ কেবল একটি ঘটনার স্মৃতি নয়, এটি এ দেশের মানুষের মুক্তির লড়াইয়ের ধারাবাহিকতার অংশ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের এরশাদবিরোধী গণআন্দোলন এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান, সবকিছুই একই ধারার বহিঃপ্রকাশ।
এই ধারাবাহিকতাকে স্মরণ করার অর্থই হলো সেই সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করা। আমরা প্রত্যাশা করি, আগামীতেও এই চেতনা ধারণ করে শোষণ ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম আরও জোরদার হবে।

তারিখ: ১৮ এপ্রিল, ২০২৬.

কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ৯ Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-44-b187979f
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ২ received-874219331633485
---------------------------------------------------------------------
৩ বিজ্ঞাপন Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-46-e841052a