আজঃ 13 October 2026 | সময়ঃ
সংবাদ শিরোনাম :
বাট্টাজোড় নগর মামুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি আক্তার হোসেন মাস্টার দক্ষিণ এশীয় পর্যটন পুরস্কার ২০২৬: সায়মানের ঝুলিতে তিন সম্মাননা, টানা আট বছরের সাফল্য ধামইরহাটে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে অবহিতকরণ সভা, সঠিক তথ্য সংগ্রহে গুরুত্ব পঞ্চগড়ে পুকুরী দ্বি মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের মাঝে দ্বন্দ্বে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে শিক্ষার্থী উৎসবমুখর দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি পটিয়ায়: মণ্ডপে মণ্ডপে থাকবে বিশেষ নজরদারি নলডাঙ্গায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে দুই মাদকসেবির কারাদণ্ড চট্টগ্রামে শ্রমিক দলের সমাবেশে মাছুম ভূঁইয়ার ক্ষোভ, তৃণমূল নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি কাশিপুর পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা সাইদুর রহমানের, চাইলেন সবার দোয়া ফেনীতে হামলায় গুরুতর আহত মনসুর আলম, জমি ও মাদক নিয়ে বিরোধের অভিযোগ চিলাহাটিতে অব্যবহৃত শতকোটি টাকার অবকাঠামো, থমকে আছে সীমান্ত বাণিজ্য পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠকর্মী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন। বীরগঞ্জে উত্তরবঙ্গের পরিচিত কবিয়াল ক্ষিতীশ সরকারের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি পত্নীতলায় ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার রাণীনগরে ইসলামী ব্যাংকের ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ব্যাংকের তিন কর্মীসহ গ্রেপ্তার ৬ নওগাঁর মান্দা উপজেলার বিল মান্দায় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ মায়ের মাগফিরাত কামনায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে জোসেফের দোয়া মাহফিল সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নলডাঙ্গায় মাদকসেবিদের আতংক ওসি মনোয়ার বকশীগঞ্জে বাসচাপায় শাশুড়ি-পুত্রবধূর মৃত্যু, হেলপার আটক বন্দর থানা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

১৮ এপ্রিলকে জাতীয় যুব দিবস ঘোষণা দাবী ছাত্র যুব ফ্রন্ট এর

দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি 24 ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন: দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি ২৪

১৮ এপ্রিলকে জাতীয় যুব দিবস ঘোষণা দাবী ছাত্র যুব ফ্রন্ট এর

মোঃ কুতুব উদ্দিন 
ঢাকা 

 
টিএসসিতে ‘চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ দিবস’-এর ৯৬তম বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
১৮ এপ্রিলকে ‘জাতীয় যুব দিবস’ ঘোষণার দাবি 

‘চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ দিবস’-এর ৯৬তম বার্ষিকী স্মরণে আজ বিকেল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ও বাংলাদেশ যুব ফ্রন্টের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা থেকে ১৮ এপ্রিলকে ‘জাতীয় যুব দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানানো হয়। 

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রগতি বর্মন তমার সঞ্চালনায় এবং বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট, কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট, ঢাকা নগর কমিটির আহ্বায়ক রবিউল করিম নান্টু, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ এবং বাসদ (মার্কসবাদী)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সদস্য ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য। 

সভায় রাফিকুজ্জামান ফরিদ বলেন, “চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের ১৮ই এপ্রিলের ঘটনাপ্রবাহ আমাদের সংগ্রামী ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। সূর্য সেনের নেতৃত্বে ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মি গঠন, তার দীর্ঘ প্রস্তুতি, এবং স্কুলপড়ুয়া কিশোরদের অকুতভয় অংশগ্রহণ; সব মিলিয়ে এটি ছিল এক অসাধারণ সাহসিকতার দৃষ্টান্ত। দুই দফা যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীকে পরাস্ত করার পর গেরিলা কায়দায় লড়াই চালিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে প্রায় তিন বছর চট্টগ্রাম অঞ্চলে আত্মগোপনে থেকেও ব্রিটিশদের নাগালের বাইরে থাকা— এই পুরো সংগ্রামই আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।” 

জয়দীপ ভট্টাচার্য বলেন, “ইতিহাসে আমরা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের দুটি ধারা দেখি—একটি আপসহীন বা সশস্ত্র বিপ্লবী ধারা, অন্যটি আপসকামী বা অহিংস ধারা। কিন্তু আমাদের ইতিহাসের পাঠ্যে আপসহীন সশস্ত্র ধারাকেই অনেক সময় ‘সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, আর আপসকামী ধারাকে ‘অহিংস আন্দোলন’ হিসেবে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এটি একটি একপাক্ষিক ও বিকৃত উপস্থাপন। বাস্তবতা হলো, ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামে প্রকাশ্য ও সশস্ত্র লড়াই ছিল একটি অবিচ্ছেদ্য উপাদান, যা স্বাধীনতা সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছে। 

সুন্দরবনে দাঁড়িয়ে অহিংসতার কথা বললে লাভ তো বাঘেরই হয়। ঔপনিবেশিক শাসনের মতো নির্মম শক্তির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে শুধু নৈতিক আবেদন দিয়ে মুক্তি অর্জন সম্ভব ছিল না। ইতিহাস প্রমাণ করে, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র বিপ্লবী ধারাই শাসকের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। শোষণ ও দমননীতির বিরুদ্ধে সংগ্রামে সশস্ত্র প্রতিরোধ ছিল অপরিহার্য এবং সেই লড়াইয়ের সাহস ও আত্মত্যাগকেই আমাদের যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে।” 

সভাপতির বক্তব্যে রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, “আমরা যখন ১৮ এপ্রিল ‘চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ দিবস’ পালন করছি, তখন আমাদের উদ্দেশ্য শুধু শহীদদের স্মরণ করা বা ফুল দেওয়া নয়; বরং সেই সংগ্রামের চেতনাকে আজকের বাস্তবতায় ধারণ করা। এই বিদ্রোহ কেবল একটি ঘটনার স্মৃতি নয়, এটি এ দেশের মানুষের মুক্তির লড়াইয়ের ধারাবাহিকতার অংশ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের এরশাদবিরোধী গণআন্দোলন এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান, সবকিছুই একই ধারার বহিঃপ্রকাশ।
এই ধারাবাহিকতাকে স্মরণ করার অর্থই হলো সেই সংগ্রামী চেতনাকে ধারণ করা। আমরা প্রত্যাশা করি, আগামীতেও এই চেতনা ধারণ করে শোষণ ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম আরও জোরদার হবে।

তারিখ: ১৮ এপ্রিল, ২০২৬.

কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ৯ Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-44-b187979f
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ২ received-874219331633485
---------------------------------------------------------------------
৩ বিজ্ঞাপন Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-46-e841052a