02 March 2026 | বঙ্গাব্দ | সময়ঃ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপসায় গুপিয়ার খালের গই ঘরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কেসিসি’র প্রশাসক মঞ্জুকে সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা নওগাঁর আত্রাইয়ে পুলিশের অভিযানে ৫০ গ্রাম হিরোইনসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার পুত্র মোজতবা খামেনিকে মনোনীত করা হয়েছে নলডাঙ্গায় এমপি দুলুর ভগ্নিপতির মাগফেরাত কামনা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে মন্ত্রীত্বের দাবিতে চেয়ারম্যান মতি এনায়েতনগর ইউনিয়ন খেলাফত মজলিসের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। নওগাঁর বদলগাছীতে ৮০ পিচ ইয়াবা সহ ১ জন মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার পত্নীতলায় মদ্যপ স্বামীর ধাক্কায় স্ত্রীর মৃত্যু: ঘাতক স্বামী আটক। কলাগাছিয়া ইউনিয়ন মজলিস নেতৃবৃন্দের সাথে সিরাজুল মামুনের মতবিনিময়। নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল। মহানগরের যুবদলের সদস্য সচিব, দ্বিতীয় সন্তানের পিতা হলেন, মোঃ সাহেদ আহমেদ। ২১নং ওয়ার্ডে স্থানীয় বিএনপি’র উদ্যোগে বড় বাজার মাছুয়া চান্নি মসজিদে দোয়া নারায়ণগঞ্জের সরদার পাড়া, তল্লা রেললাইন মাদক ব্যবসায়ীর তৎপরতা। স্বেচ্ছাসেবক দল মহানগর নবনির্বাচিত প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারায় শাওলিন কুংফু এন্ড উশু একাডেমির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নওগাঁ শহরে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়কারী দুই ছিনতাই কারীকে আটক করেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ২৫ টাকায় ৫ কেজি আলু, হিসাব মেলাতে হিমশিম কৃষক নাটোর মাছ ও সবজি পাইকারি বাজারের হালচাল জাকির খানের উদ্যোগে, নারায়ণগঞ্জের বাসীদের জন্য ফ্রি ট্রলারের ব্যবস্থা করেছেন।

এবিএম সিরাজুল মামুনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি 24 ডেস্ক
ছবির ক্যাপশন: দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি ২৪

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি-

জন্ম ও পরিবার- এবিএম সিরাজুল মামুন ১৯৬৭ সালের ৫ জুন নারায়ণগঞ্জের অভিজাত ও শিক্ষিত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম হাবিবুর রহমান ছিলেন- নারায়ণগঞ্জের অত্যন্ত সম্মানিত একজন ব্যক্তিত্ত্ব ও স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ। নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গণবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘ এক যুগের অধিক সময় এবং সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়, মহজমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সুনামের সাথে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জীবদ্দশায় তিনি প্রায় ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। জনাব হাবিবুর রহমান ছিলেন- একজন জাতীয় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন-এর আমৃত্যু সভাপতি। 

এবিএম সিরাজুল মামুনের মাতা মরহুমা জোহরা বেগম ছিলেন- একজন রত্নগর্ভা জননী। তিনি অত্যন্ত দ্বীনদার, দানশীলা ও অতিথিপরায়ন ছিলেন। সিরাজুল মামুন ছাড়াও তাঁর বড় ছেলে একটি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক (এম.এ.), ছোট ছেলে একটি টিউটোরিয়াল হোমের পরিচালক (এম.এ), বড় মেয়ে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (এম.এ, পিএইচডি), মেজো মেয়ে হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষিকা (এম.এ), ছোট মেয়ে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপিকা (এম.এ, এম. ফিল)। সিরাজুল মামুনের সহধর্মিণী একটি সরকারী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল (বিসিএস শিক্ষা)। বিবাহিত জীবনে সিরাজুল মামুন দুই পুত্র এবং এক কন্যা সন্তানের জনক। 

শিক্ষা- ছাত্রজীবন থেকেই সিরাজুল মামুন ছিলেন প্রখর মেধার অধিকারী। ১৯৮২ সালে নারায়ণগঞ্জ বার একাডেমি স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসিতে স্টারমার্কসহ প্রথম বিভাগে (স্কলারশিপ সহ) সমগ্র নারায়ণগঞ্জ জেলায় মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেন এবং ১৯৯৪ সালে সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে এইচএসসি (বিজ্ঞান বিভাগ) উত্তীর্ণ হন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইংরেজি সাহিত্য বিভাগে স্নাতকে প্রথম বিভাগে ২য় স্থান ও কৃতিত্বের সাথে মাস্টার্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সিরাজুল মামুন কোরআন-হাদীস, তাফসীর, ইসলামের ইতিহাস ও সাহিত্য নিয়ে প্রচুর অধ্যয়ন করেন৷ তিনি নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নিজে নিজে কুরআনের হাফেজ হন। মূলত তিনি- খেলাফত রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ইসলামী আদর্শের সৌন্দর্য ও শ্রেষ্ঠত্বে মুগ্ধ হয়ে তিনি সমাজ এবং রাষ্ট্রে সুবিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইসলামী জীবনব্যবস্থার প্রচার ও প্রতিষ্ঠাকে তাঁর জীবনের মিশন হিসেবে গ্রহণ করেন

পেশা- আশির দশকে ছাত্র জীবনেই সিরাজুল মামুন সমগ্র নারায়ণগঞ্জে একজন অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও জনপ্রিয় ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। নিজস্ব স্বকীয়তা এবং সম্পূর্ণ আধুনিক একটি ধারা প্রবর্তনের মাধ্যমে ইংরেজি শিক্ষাদানের পদ্ধতিকে তিনি অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যান। আদর্শ শিক্ষক এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ত্বের কারণে একসময় এবিএম সিরাজুল মামুন নারায়ণগঞ্জবাসীর নিকট "মোল্লা মামুন স্যার" নামেই অধিক পরিচিত হয়ে উঠেন। 

রাজনীতি ও কারাবরণ- এবিএম সিরাজুল মামুন ছাত্রজীবনেই ইসলামী রাজনীতির সাথে যুক্ত হন এবং আদর্শিক ছাত্র রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৮৫ সালে অবৈধ সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে গিয়ে তিনি প্রথমবার কারাবন্দী হন। ১৯৮৯ সালে খেলাফত মজলিস প্রতিষ্ঠার সময় দলকে সুসংগঠিত করতে তিনি সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ৯০ দশকে খতীব ওবাইদুল হক রহ. নেতৃত্বে ঐতিহাসিক কাদিয়ানী বিরোধী খতমে নবুওত আন্দোলন এবং ১৯৯৩ সালে ভারতের বাবরি মসজিদ ভাঙার প্রতিবাদে শায়খুল হাদীস রহ. এর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক লংমার্চ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তিচুক্তির প্রতিবাদে শায়খুল হাদীস রহ. এর আহবানে আন্দোলন করে আবার গ্রেফতার হন। মুক্তির কিছুদিন পর ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি আবারো কারাবরণ করেন। ২০১৩ সালে আল্লামা আহমদ শফী রহ. এর আহবানে নারায়ণগঞ্জে হেফাজতের আন্দোলনকে সংগঠিত করতে এবং শাপলা চত্বরের ঐতিহাসিক সমাবেশ বাস্তবায়নে সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তখন ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার তাঁর বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করে। আওয়ামী ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে তিনি সর্বদা ময়দানে সোচ্চার ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জের আন্দোলনে তিনি প্রকাশ্যে শিক্ষার্থীদের সাথে অংশগ্রহণ করেন এবং ৫ আগস্ট সকালেই নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে অবস্থান নেন। ইসলাম ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ, নারী নির্যাতন, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদক প্রতিরোধ, দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি এবং সংবাদপত্র ও মিডিয়ার কন্ঠরোধসহ সকল প্রকার জুলুম, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সকল অপতৎপরতার বিরুদ্ধে তিনি সদা তৎপর ছিলেন এবং এখনো আছেন। বর্তমানে তিনি খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। খেলাফত মজলিস ছাড়াও ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন সংগঠন এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন। 

সমাজসেবা- বিগত ৪০ বছরের শিক্ষকতা জীবনের প্রায় সবটুকু আয় তিনি অসহায় ও গরীব-দুঃখী মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছেন। শতশত ছাত্রকে তিনি বিনামূল্যে পড়িয়েছেন। তাঁর হাতেগড়া হাজার হাজার ছাত্র দেশের বিভিন্ন সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত সুনামের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর তত্ত্বাবধানে খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে প্রতিবছর বিভিন্ন সময়ে অসহায় মানুষের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকার ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়ে থাকে। বিশেষত- শীতে শীতবস্ত্র বিতরণ, কোরবানিতে সামর্থ্যহীন পরিবারে গোশত পৌঁছে দেওয়া, চিকিৎসা ও ঔষধ সহায়তা এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাপনা করা, ঋণমুক্তির বিষয়ে অর্থ সহায়তা উল্লেখযোগ্য। তিনি অসহায় ও অভিভাবকহীন শিক্ষার্থীদের জন্য নিজ সাথীদের নিয়ে দেওভোগ এলাকায় লিল্লাহ বোর্ডিংসহ আবাসিক একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠিত করেন। 

ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সহজ, সরল ও সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্থ এবিএম সিরাজুল মামুন ইতিমধ্যেই নারায়ণগঞ্জবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। একজন উচ্চশিক্ষিত, আদর্শবান, আপসহীন, নির্লোভ, সৎসাহসী, যোগ্য ও দ্বীনদার ব্যক্তি হিসেবে এবং সজ্জন রাজনীতিবীদ হিসেবে তিনি সর্বমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। 

দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়ন এবং সুবিচারভিত্তিক, জনকল্যাণমুখী ও মানবিক নারায়ণগঞ্জ গড়তে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবিএম সিরাজুল মামুনের মতো একজন যোগ্য প্রার্থীকে দেওয়াল ঘড়ি মার্কায় ভোট দিয়ে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন...

এ জাতীয় আরো খবর...
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ৯ Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-44-b187979f
---------------------------------------------------------------------
বিজ্ঞাপন ২ received-874219331633485
---------------------------------------------------------------------
৩ বিজ্ঞাপন Whats-App-Image-2025-09-28-at-21-25-46-e841052a