কোরআনের আলোকে আল্লাহর শুকরিয়া আদায়
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ- তাআলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, মানুষের একটি বড় অংশ আল্লাহর নেয়ামতের যথাযথ শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।
মানুষ অভাব, বিপদে বা সুখে অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে, অথচ আল্লাহ কৃতজ্ঞ বান্দাদের ভালোবাসেন এবং শুকরিয়া করলে নিয়ামত বাড়িয়ে দেওয়ার ওয়াদা করেছেন।
কোরআনের আলোকে শুকরিয়া না করার বিষয়টি যেভাবে উঠে এসেছে:
অকৃতজ্ঞতার উল্লেখ: আল্লাহ বলেছেন, "মানুষের অনেকেই আমার নির্দশনসমূহ সম্পর্কে গাফেল" (সূরা ইউনুস: ৯২) এবং অধিকাংশ মানুষ শুকরিয়া আদায় করে না।
সতর্কবার্তা: শুকরিয়া না করা ছোট কুফরি বা নিয়ামতের অকৃতজ্ঞতা।
শুকরিয়ার নির্দেশ: আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন, "তোমরা আমার প্রতি কৃতজ্ঞ হও এবং অকৃতজ্ঞ হয়ো না" (সূরা বাকারা: ১৫২)।
পুরস্কার: যারা শুকরিয়া আদায় করে, আল্লাহ তাদের নিয়ামত বাড়িয়ে দেন।
শুকরিয়া আদায়ের উপায়: শুধু মুখে 'আলহামদুলিল্লাহ' বলা নয়, বরং অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করা, নিয়ামতকে আল্লাহর দান বলে স্বীকার করা এবং আল্লাহর অবাধ্যতায় ওই নিয়ামত ব্যবহার না করাই প্রকৃত শুকরিয়া।
শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?
উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করলো!
আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা আবশ্যক কেন?
নিজের অপরাগতার কথা স্মরণ করে আল্লাহ তায়ালার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকেন তারা। আর যারা নফস ও শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে আল্লাহ তায়ালা প্রতি কৃতজ্ঞতা আদায়ের ...
শুকরিয়া মানে শুধু মুখে আলহামদুলিল্লাহ বলা নয়, বরং কর্মে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। যে শুকরিয়া আদায় করে, আল্লাহ তাকে আরও বেশি বাড়িয়ে দেন। — সূরা ইব্রাহীম
এ জাতীয় আরো খবর...